Home / প্রচ্ছদ / পেশাজীবী সমাবেশে ফখরুল

পেশাজীবী সমাবেশে ফখরুল

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সমাবেশে যোগ দিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (০৫ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে সমাবেশে যোগ দেন তিনি।

এর আগে ফ্যাঁসিবাদী সরকারের হাত থেকে গণতন্ত্র মুক্ত না করা পর্যন্ত ঘরে ফিরবেন না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের নেতারা।

বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের হলরুমে ‘৫ জানুয়ারি গণতন্ত্রের কালোদিবস দিবস’ আখ্যায়িত করে সমাবেশ করে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ।

এতে বক্তব্য রাখেন নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জাহানারা সিদ্দিকি, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মহাসচিব ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, ইঞ্জিনিয়ার সাখাওয়াৎ হোসেন, বিপ্লবউজ্জামান বিপ্লব, ইঞ্জিনিয়ার হারুনুর রশিদ, ইঞ্জিনিয়ার নাদিম, মো: আবদুল হানিফ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত আন্দোলন চলবে। আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য শেখ হাসিনা সরকারের বিদায়, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন।

বক্তারা বলেন, এই সরকার রেন্টাল পাওয়ারের মাধ্যমে ৩০ হাজার কোটি টাকা লুট করে নিয়েছে। এ সরকারের হাতে মানুষের জান-মাল-সম্পদ নিরাপদ নয়।

এদিকে ‘৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা ও কালো দিবস’ উল্লেখ করে বিএনপি সমর্থিত বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে জাতীয় প্রেসক্লাবের টেনিস লনে সমাবেশ করে।

এ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএফইউজে সভাপতি ও খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবদাল আহমদ, আবদুস শহিদ, আবদুল আজিজ, মো: আবদুল্লাহ, মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্রের কালোদিবস। দেশের স্বাধীনতার পর এমন দিন আর আসে নি। এ নির্বাচনকে প্রহসন বললে প্রহসনও লজ্জা পাবে। রক্তে রঞ্জিত আজ বাংলা।

তারা আরও বলেন, দেশে আজ ২৫০ মিডিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকরা আজ বেকার জীবনযাপন করছেন। দেশে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে।

Leave a Reply