Home / খেলাধুলা / ২০২২ বিশ্বকাপ আয়োজনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ কাতার

২০২২ বিশ্বকাপ আয়োজনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ কাতার

২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ : কাতার ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করবেই বলে জানিয়েছে। সোমবার বিশ্বফুটবল পরিচালনা সংস্থা ফিফার নির্বাহী সদস্য জার্মান প্রতিনিধি থিও জুয়ানজিগার অত্যাধিক তাপমাত্রার কারণে কাতারে টুর্নামেন্টটি হবে না বলে মন্তব্য করার প্রেক্ষাপটে কাতার ২০২২ কমিউনিকেশন্স ডিরেক্টর নাসের আর খাতের এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, কাতারেই ২০২২ বিশ্বকাপ হবে। তবে তা গ্রীস্মে না শীতে হবে প্রশ্ন সেটাই।
জার্মান ফুটবল ফেডারেশনের (ডিএফবি) সাবেক প্রধান জুয়ানজিগার বলেন, গ্রীস্মের উষ্ণ তাপমাত্রার কারণেই কাতারকে বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজনের পথ থেকে সরে দাঁড়াতে হবে।’
তবে জার্মান ওই ফিফা কর্তার মন্তব্য প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ফিফার একজন মুখপাত্র এএফপিকে বলেছেন যে এটি তার ব্যক্তিগত মতামত।
জুয়ানজিগার বলেন, ‘চিকিৎসকদের পাশাপাশি আমি নিজেও এই বিষয়ে একমত যে গ্রীষ্মের খর তাপমাত্রায় তারা বিশ্বকাপ আয়োজনের নিশ্চয়তা দিতে পারবে না। ’
ম্যাচ আয়োজনের জন্য কাতারের শীততাপ নিয়ন্ত্রিত খেলার মাঠ নির্মাণ করার বিষয়টি জানানো হলে,জবাবে জুয়ানজিগার বলেন, ‘শুধু স্টেডিয়ামের খেলাই বিশ্বকাপ নয়। বিশ্বের চতুর্দিক থেকে দর্শকদের আগমন ঘটবে। তাদের জন্যও তাপমাত্রার বিষয়টি বিবেচনায় আনতে হবে।
এক তদন্তে দেখা গেছে যে তাপমাত্রার কারণে মানুষের মৃত্যু ঝুঁকির মত সমস্যা রয়েছে। যে কারণে ফিফা নির্বাহী কমিটির কোন সদস্যই চান না সেখানে টুর্ণামেন্ট আয়োজিত হোক।’
তবে একটি সংবাদপত্রকে দেয়া সাক্ষাৎকারে কাতার ২০২২ আয়োজক কমিটির মহাসচিব হাসান আল-তাওয়াদি ঘোষণা দিয়েছেন, ‘কাতারেই হবে ২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবল। এটি নিশ্চিত।
এ বিষয়ে আমার ন্যুনতম কোন আশংকা নেই। কারণ প্রথম কথা হচ্ছে বিশ্বকাপ আয়োজন হাতছাড়া করার মত কোন কারণ দেখা যাচ্ছে না। আর দ্বিতীয় কথা হচ্ছে এবারই প্রথম মধ্য প্রাচ্যে বিশ্বকাপের আয়োজন হতে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কাতার ২০২২ বিশ্বকাপ কমিটি বলেছে, ‘২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হবে কাতার। ফিফা কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জুয়ানজিগারের মন্তব্যটি একান্তই তার ব্যক্তিগত বক্তব্য। এটি ফিফার মন্তব্য নয়।’
এতে আরো বলা হয়, ‘মৌসুমের যেকোনো সময়, শীত কিংবা গ্রীস্ম, যেকোনো মুহূর্তে আমরা টুর্ণামেন্ট আয়োজনের জন্য প্রস্তুত। রাষ্ট্রীয়ভাবে শীততাপ নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা ফিফাকে এই প্রমাণটি দিয়েছি যে, যেকোনো সময় এখানে বিশ্বকাপ আয়োজন করা সম্ভব।

Leave a Reply