Home / প্রচ্ছদ / দুদকের রায় নিয়ে কোন মন্তব্য করবে না বিশ্বব্যাংক : বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর

দুদকের রায় নিয়ে কোন মন্তব্য করবে না বিশ্বব্যাংক : বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর

world bankসোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ : পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে অভিযুক্ত সবাইকে খালাস দিয়েছে দূর্নীতি দমন কমিশন। তবে পদ্মা সেতু নিয়ে দুদকের এ রায়ের বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের কোনো মন্তব্য নেই বলে জানিয়েছেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর জোহানেস জাট।

সোমবার ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের সঙ্গে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি একথা জানান।

জোহানেস জাট বলেন, দ্বন্দ্ব ও সংঘাত এ দেশের রাজনীতিতে শুধু অনিশ্চয়তাই তৈরি করতে পারে। কোনো সমস্যার সমাধান নয়। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। এ দেশের বিচার বিভাগও স্বাধীন। তাই পদ্মা সেতু নিয়ে দুদকের দেওয়া রায়ে বিশ্বব্যাংক কোন মন্তব্য করবে না। তিনি বলেন, পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন করতে বিশ্বব্যাংক আর আগ্রহী নয়। এ নিয়ে বিশ্বব্যাংকের আর কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বিদ্যুৎ খাত। শিল্প সেক্টরে শতভাগ বিদ্যুত সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে সব উন্নয়নই ভেস্তে যাবে। এছাড়া দেশে যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

জোহানেস জাট আরো বলেন, পূর্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি ততটা সচল ছিল না। কারণ তখন দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। এখন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। কিন্তু সে প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে সহায়তা করেনি। তিনি বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা। এ জটিলতা দূর করতে হবে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সমস্যা হচ্ছে যখন এ দেশের অর্থনীতি ততটা সচল ছিল না তখন দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। কিন্তু সে প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে সহায়ক ছিল না।

মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, গত ১ দশক এক শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া ইনকাম লেবেল ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের ভাল। মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রগতি হয়েছে। এগুলো অন্যতম অর্জন। কিন্তু রাজস্ব আহরণ জিডিপির প্রবৃদ্ধি অনুযায়ী ভাল নয়। বাংলাদেশের দারিদ্র্য নিরসন হচ্ছে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে জিডিপির ২ দশমিক ৪ শতাংশ বিনিয়োগ হচ্ছে। এগুলো অর্থনীতির ভাল নির্দেশক। কিন্তু সুশাসনের ক্ষেত্রে এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এ দেশের বিদ্যুত খাত। কেননা শিল্প সেক্টরে শতভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে সব উন্নয়নই ভেস্তে যাবে। এছাড়া দেশে যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের কার্যালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির লিড ইকনোমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন, সালমান জাইদী, যোগাযোগ কর্মকর্তা মেহেরিন এ মাহবুব এবং ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের সভাপতি হুমায়ুন কবীর ও সাধারণ সম্পাদক জাগরন চাকমা।

 

Leave a Reply