Home / প্রচ্ছদ / ‘কুলাঙ্গার’ বলায় তারেকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা তদন্তের নির্দেশ

‘কুলাঙ্গার’ বলায় তারেকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা তদন্তের নির্দেশ

Tareq 00jpgসোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪:  বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলেমগীরের বিরুদ্ধে করা মানহানির মামলার বিষয়ে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্ত করে ২০ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এরফান উল্লাহ এ আদেশ দেন।

 

আওয়ামী লীগ নেতাদের কুলাঙ্গার এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কুলাঙ্গারদের নেত্রী বলায় তারেক রহমান ও দলটির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে বাদীর মতে ৫০০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে। এজন্য বাদী দণ্ডবিধির ৪৯৯/৫০০ ধারার অপরাধে এই মামলাটি করেন ঢাকার সিএমএম আদালতে।

 

সোমবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এরফান উল্লাহর আদালতে বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী বাদী হয়ে  মামলাটি করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এ ব্যাপারে অভিযোগ পর্যালোচনা করার পরে আদেশ দেবেন বলে জানান আদালত।

 

মামলার অভিযোগে বাদী বলেছে, গত ২৪ আগস্ট লন্ডনের কুইনমেরি ইউনিভার্সিটিতে তারেক রহমান এক আলোচনা সভায় ‘আওয়ামী লীগ নেতারা কুলাঙ্গার এবং শেখ হাসিনা কুলাঙ্গারদের নেত্রী’ বলে বক্তব্য দিয়েছেন। যা গত ২৬ আগস্ট দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় ‘শেখ হাসিনা কুলাঙ্গারদের নেত্রী’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়। গত ২ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ‘জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন’ বলে দাবি করেন। যা বাদীর অভিযোগ মতে মানহানিকর ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

 

গত ৩ সেপ্টেম্বর ওই বক্তব্য বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় গুরুত্বপূর্ণ শিরোনামে প্রকাশিত হয়। একই দিনে দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতায় ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকারকরা তেলবাজ’ শিরোনামে তারেক রহমানের আরো একটি বক্তব্য প্রকাশিত হয়। এছাড়াও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ৫ সেপ্টেম্বর সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এক বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চের ভাষণ শেষে ‘জয় পাকিস্তান’ বলেছেন এবং ‘বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন নাই’ বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে বঙ্গবন্ধুর মানহানি হয়েছে বলে দাবী করেন বাদী। এছাড়া ‘খন্দকারের কথায় আওয়ামী লীগের গায়ে আগুন’ শিরোনামে দৈনিক জনকণ্ঠের ৩ নং পাতায় এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রকাশিত হয়। যা বাদীর মতে মানহানিকর ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

 

বাদী তার দলীয় অফিসে ২৬ আগস্ট, ৩ সেপ্টেম্বর ও ৬ সেপ্টেম্বর এই সংবাদগুলো পড়ে বিস্মিত ও হতবাক হন।

 

বাদী আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির  আবেদন করেছেন।

 

Leave a Reply